২০ মে থেকে সমুদ্রে মাছ ধরা নিষেধ

Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা, ১৪ মে: সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সর্বোচ্চ সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানায়  ৬৫ দিনের জন্য  সব ধরনের বাণিজ্যিক ট্রলারের মাধ্যমে মাছ ও চিংড়ি আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বলবৎ থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক।

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ১০-২০ ভাগ মাছ সংরক্ষণ করা গেলেও দেশের সমুদ্র এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাছ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, মৎস্য খাতের উন্নয়নের জন্য প্রজনন মৌসুম বিশেষ করে মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ আহরণ বন্ধ রাখা যায় এ বিষয়ে মৎস্য-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে, প্রতি বছর জুন থেকে আগস্ট মাসে সাদা মাছের আহরণ তুলনামূলকভাবে কম এবং প্রতিবছর তা ক্রমান্বয়ে কমছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, এসব আলোচনায় বঙ্গোপসাগরে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মাছের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মাছের মজুদ সংরক্ষণপূর্বক সুষ্ঠু ও বিজ্ঞানসম্মত সহনশীল আহরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাদা মাছের ক্ষেত্রে প্রতিবছর মে-জুন-জুলাইয়ের একটা নির্দিষ্ট সময় মাছ আহরণ বন্ধ রাখার প্রস্তাব আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই মোট ৬৫ দিন সব ধরনের বাণিজ্যিক ট্রলার দিয়ে মাছ ও চিংড়ি আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।

ছায়েদুল হক আশা প্রকাশ করে, “এর ফলে যদি ১০ থেকে ২০ ভাগ মাছও সংরক্ষণ করা যায়, তাতেও আমাদের সমুদ্র এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাছ বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি। এতে করে জাতি উপকৃত হবে।” কয়েক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হব বলে জানান মন্ত্রী।

সবুজপাতা প্রতিবেদন

Comments