আকিজ সিমেন্ট উৎপাদনে জ্বালানী সাশ্রয়!

Print Friendly

 ঢাকা, ১৯ এপ্রিল: সমকালীস সিমেন্ট উৎপাদনকারীদের থেকে অন্তত ৪০ ভাগ কম বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মাধ্যমে সিমেন্ট উৎপাদন করছে আকিজ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ, এমন দাবী করা হচ্ছে  তাদের সাম্প্রতিক বিজ্ঞাপনে।  সিমেন্ট তৈরি করছে আকিজ গ্রুপ। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি ১ মিলিয়ন টন আকিজ সিমেন্ট উৎপাদনে সাশ্রয় হয় ২০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আকিজ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশির উদ্দিন সম্প্রতি গনমাধ্যমে এমন দাবী করেছেন।

cement_brochure2

তারা বলছেন, এটার মাধ্যমে তারা পরিবেশ সম্মত সিমেন্ট উৎপাদনে ভুমিকা রাখছেন,  বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাসের উদ্‌গীরণ সবচেয়ে বেশি হয় সিমেন্ট উৎপাদনের সময়। বিষয়টি বিবেচনায় এনে আকিজ গ্রুপ সিমেন্ট উৎপাদনে ব্যবহার করছে সর্বাধুনিক জার্মান প্রযুক্তি। এ মেশিনটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, বোল্টজে চালিত,সিমেন্ট  শুকনো করা, বিভিন্ন উপদান আলাদারকরণ, পরিবেশ বান্ধব ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রনে রক্ষায় নিয়ামক। সিমেন্ট উৎপাদনের ক্ষেত্রে ১০টির বেশী পরীক্ষার মাধ্যমে আকিজ সিমেন্ট উৎপাদন শেষে ক্রেতাদের হাতে পৌছে যাচ্ছে বলে তারা জানান।

 সম্প্রতি যখন এমন বিজ্ঞাপনে ব্যপক প্রচারণা চালাচ্ছে সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ,তখন তারও আগে থেকে সিমেন্ট উৎপাদনে ফ্লাই এ্যাস নিয়ন্ত্রন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে-এমন বিজ্ঞাপনও দেখা গিয়েছিল। কোম্পানীটির দাবী, পরিবেশ ও মানবদেহের ক্ষতিকর ফ্লাই অ্যাশ-এর পরিবর্তে আকিজ সিমেন্ট ক্লিংকারের সঙ্গে ব্যবহার করছে ব্লাস্ট ফার্নেস স্ল্যাগ।  তাদের বক্তব্য, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ব্লাস্ট ফার্নেস স্ল্যাগ ব্যবহারের কারণে আকিজ সিমেন্ট উৎপাদনে অর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের তুলনায় টনপ্রতি প্রায় ৪১% এবং লাইমস্টোন সিমেন্টের তুলনায় ৪৭% কার্বন-ডাই-অক্সাইড কম নির্গত হয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সকল সিমেন্ট আকিজ সিমেন্টের আদলে তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আকিজ গ্রুপের কর্নধররা।

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ভার্টিকাল রোলার (ভি আর এম) মেশিন মিলের মাধ্যমে শতভাগ ফ্লাই এ্যাশ ফ্রি সিমেন্ট উৎপাদন করছে বলে দাবি করে আসছে তারা, এবং এটি-ই দেশের একমাত্রদেশে একমাত্র   পরিবেশ বান্ধব সিমেন্ট উৎপাদন মেশিন বলে জোরালো যুক্তি তাদের।দেশে বর্তমানে ৪৪টি কোম্পানির  ৫০টিরও বেশি সিমেন্ট ফ্যাক্টরি উৎপাদনে সক্রিয় রয়েছে। যাদের বছরে গড়ে সিমেন্ট উৎপাদন হয় পৌনে ২ কোটি টন। যা সাশ্রয় করতে পারে সাড়ে ৩ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

Comments