সুনামগঞ্জে চায়না জাতের লিচুর বাম্পার ফলন

Print Friendly, PDF & Email

সবুজপাতা ডেস্কঃ  সুনামগঞ্জের ছাতকে এ বছর স্থানীয় জাতের লিচুর ভালো ফলন পাওয়া গেছে। তবে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে দূর-দূরান্তে লিচু পাঠাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। তবে ছাতকে চায়না-টু ও চায়না থ্রি জাতের লিচুর ফলন পাওয়া গেছে সবচেয়ে বেশী।

ছাতকের মানিকপুর, গোদাবাড়ি, চানপুর, লামাসানিয়া, বড়গোল্লা, লাস্তবেরগাঁওসহ ১২টি গ্রামে স্থানীয় জাতের লিচুর বাগান রয়েছে। এসব গ্রামে এক হাজার চাষী লিচু বাগান করেন। ব্রিটিশ আমলে জমিদারদের গড়ে তোলা লিচু বাগান থেকে কলম পদ্ধতিতে চারা তৈরী করে এসব গ্রামের চাষীরা নিজ নিজ বাড়িতে লিচু বাগান করেছেন।

লিচু চাষীরা বলছেন, কৃষি বিভাগ লিচু চাষে সহযোগিতা করলে আরো উন্নতমানের লিচু চাষ করা যায়। কিন্তু কৃষি অফিসাররা এ ব্যাপারে সহযোগিতা না করায় উন্নতমানের লিচু চাষ করা যায় না।

চাষীরা আরো অভিযোগ করে, প্রতি বছরই এলাকায় প্রায় কোটি টাকার লিচু বেচাকেনা হয়। তবে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অন্য জেলায় গিয়ে লিচু বিক্রি করতে অনেকটাই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্থানীয় চৌমুহনী বাজারে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের কাছে সামান্য লাভে লিচু বিক্রি করায় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছি আমরা।

লিচু বাজারজাত করতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও উন্নত সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে তৎপর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহেদুল হক বলেন, উন্নতমানের লিচু চাষে আমরা কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

জুন মাসে চাষিদের চারা কলম সরবাহরহসহ ফলন বাড়ানোর ওপর চাষীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ এলাকায় লিচুর আবাদ আরো বৃদ্ধি হবে।

Comments