খাদ্যে ভেজালের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান -সংসদে বিল

Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা,৩০ সেপ্টেম্বর:

নিরাপদ খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণসহ রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রণসহ খাদ্যের ভেজাল প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি কতৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিধানের প্রস্তাব করে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ নামে একটি বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

বিলে খাদ্যে ভেজালের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনে খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বিলটি উত্থাপন করেন। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন- ‘পিউর ফুড অর্ডিন্যান্স, ১৯৫৯’ রহিত করে প্রস্তাবিত ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ বিলটি আনা হয়।

এতে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং কেন্দ্রীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। আইনে উৎপাদনকারী, মোড়ককারী, বিতরণকারী, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের দায়বদ্ধতা এবং অপরাধের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।

আইনের অধীনে অপরাধের জন্য মামলা দায়ের করে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড/অর্থদণ্ড প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে। আইনে খাদ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অথবা বিষক্রিয়া সৃষ্টিকারী রাসায়নিক দ্রব্য বা তার উপাদান বা বস্তু যেমন ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, সোডিয়াম সাইক্লামেট, কীটনাশক বা বালাইনাশক, সুগন্ধি ইত্যাদি খাদ্য দ্রব্য বা খাদ্যোপকরণে ব্যবহার নিষিদ্ধ করে অমান্যকারির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের এবং অন্যূন চার বছরের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ১০ লাখ টাকা, অন্যূন পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনে এ ধরনের অন্যান্য অপরাধের জন্য আলাদা শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ১৩ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে এবং এসবঅপরাধকে জামিন অযোগ্য করা হয়েছে।

সবুজপাতা ডেস্ক

Comments