আবাসিকেও বর্জ্য পরিশোধনাগার নির্মাণের নির্দেশ পূর্তমন্ত্রীর

Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা, ১৬ মার্চ: নদী নালা দূষণ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করতে আবাসিক অনাবাসিক সকল ভবনগুলোই ইটিপির (বর্জ্য পরিশোধনাগার) আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিয়ার মোশাররফ হোসেন।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্ত্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এখন থেকে নতুন ভবন নির্মাণ করতে হলে ‘বর্জ্য পরিশোধনাগার’ (ইটিপি) করতে হবে। আপনি ১০ থেকে ২০ কোটি টাকা ব্যয় করে ভবন করতে পারবেন, একটি ইটিপি করতে পারবেন না এটা হতে দেয়া যাবে না। আমরা সকল আবাসন প্রকল্প এলাকায় ইটিপি বসানোর উদ্যোগ নিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের যতো শহর আছে, সবই স্বাস্থ্যকর পরিববেশ রয়েছে। কিন্তু দুঃজনক হলেও সত্য আমরা একটি শহরও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করতে পারিনি।’

মন্ত্রী ইঞ্জিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ঝিলমিল প্রকল্পে আমরা ১২ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করবো। সেখানে ইটিপি করারও চেষ্টা করা হচ্ছে।’

নদী নালা দূষণ সম্পর্কে মন্ত্র বলেন, ‘রাজধানীর চতুরদিকে বালু, তুরাগ, শীতলক্ষা ও বুড়িগঙ্গা নদী দূষণ রোধে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে। নতুন প্রকল্পে প্লটের চেয়ে অ্যাপার্টমেন্ট করবো, যাতে সবাই অ্যাপার্টমেন্ট পায়। নদী নালা আর দূষণ করতে দেবো না। ইটিপির আওতায় আনা হচ্ছে সকল ভবনগুলো। যাতে কোনোভাবেই নদী নালা আর দূষণ না হয়।’

আগারগাঁওয়ে বন্ধবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে সচিআলয়ের পাশে সচিবালয় স্থানান্তর সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘সচিবালয় স্থানান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

সবুজপাতা প্রতিবেদন

Comments