পাহাড়ের ঘোনায় মাছ চাষ

  • পাহাড়ের ঘোনায় মাছ চাষ
  • পাহাড়ের ঘোনায় মাছ চাষ
  • পাহাড়ের ঘোনায় মাছ চাষ
Print Friendly, PDF & Email

সবুজপাতা ডেস্কঃ পার্বত্যাঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাছ চাষ। পাহাড়ের ঘোনায় বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তনে নেমেছে অনেক বেকার যুবক। পার্বত্য চট্টগ্রামে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের আওতায় ক্রিকের (একাধিক পাহাড়ের মাঝে বাঁধ) মাধ্যমে মাছচাষে এগিয়ে এসেছে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ির এলাকার সুজন চাকমা ও প্রিয় কুমার চাকমার মত আরও অনেকেই।

rangamati fish-pic-01_60157

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পার্বত্যাঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। মৎস্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ মোট ২৫ উপজেলায় পাহাড়ের ঘোনায় মাছ চাষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে সাড়ে ৬৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০ ক্রিক নির্মাণ করা হয়েছে। আরও পাঁচ শতাধিক ক্রিক নির্মাণের করা হবে। এসব ক্রিকের মাধ্যমে শিগগিরই তিন পার্বত্য জেলায় বেকার যুবকদের জন্য ব্যাপক আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

অন্যদিকে, মাছের রেণু ও পোনার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে রাঙামাটি ও বান্দরবানে ইতোমধ্যে দু’টি মিনি মৎস্য হ্যাচারি নির্মাণ করা হয়েছে। খাগড়াছড়িতে আরও একটি হ্যাচারি নির্মাণ করা হবে বলে জানা গেছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিচালক ও রাঙামাটি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল হান্নান মিয়া জানান, ক্রিকের মাধ্যমে মাছের পোনা উৎপাদন ও লালন-পালনের লক্ষ্যে প্রায় ছয় হাজার জনকে মাছ চাষের ওপর বিভিন্ন প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ প্রকল্পের আওতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রকল্পের মেয়াদকালে সর্বমোট ৮০৪টি ক্রিক নির্মাণ করা হবে।

31

তিনি বলেন, গত ২০১৩- ১৪ অর্থবছরে ৮১৩ টি ক্রিকের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩৩২ টি ক্রিকের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এ ক্রিক নির্মান কাজ শেষ হবে। ইতোপূর্বে ৯৫টি ক্রিক নির্মান হয়েছে। এখন ৩৩২টি ক্রিক মিলে এ পর্যন্ত মোট ৪২৭ ক্রিক নির্মানে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে।

রাঙামাটির কাউখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম চৌধুরী জানান, পাহাড়ি ঘোনায় বাঁধ দিয়ে যে ক্রিক তৈরি করা হচ্ছে, তা সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে পার্বত্যাঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থান আরও উন্নত হবে।

Comments