পুরান ঢাকার রাসায়নিক কারখানা ও গোডাউন সরানোর দাবি

Print Friendly

সবুজপাতা ডেস্ক, ৩০ আগস্ট: জননিরাপত্তা ও পরিবেশ বিবেচনায় পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিক কারখানা, গোডাউন সরানো এবং আবাসিক ভবনে কারখানা বন্ধের দাবি জানিয়েছে পবাসহ ১৪টি সংগঠন।

শুক্রবার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনসহ (পবা) পুরান ঢাকার ১৪টি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিমতলীতে রাসায়নিক গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ঢাকা জেলা প্রশাসক ও বিস্ফোরক অধিদপ্তর যৌথভাবে ১৮০টি গুদাম ও ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। ২০১০ সালের অক্টোবরের মধ্যে গুদামগুলো সরানোর নির্দেশ দেয়ার পরও পুরান ঢাকার লালবাগ, সূত্রাপুর, শ্যামনগর, কোতোয়ালি এলাকা থেকে এখনো গুদাম সরানো হয়নি। গুদামগুলোর উপরের ভবনে ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে হাজারো মানুষ।

বক্তারা বলেন, ২০০৪ সালের ৯ জুন পুরান ঢাকার শাখারীবাজারে ভবনধসের পর ঢাকা সিটি করপোরেশন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকায় ২৬ হাজার আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। আরও সমীক্ষার মাধ্যমে ৫৫৮টির বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৮৫টি ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে দ্রুত এসব ভবন ভেঙে ফেলা বা আধুনিক প্রযুক্তিতে ঝুঁকিমুক্তি করার পদক্ষেপ নেয়ার সুপারিশ করা হয়। এসব ভবনের বেশির ভাগই পুরান ঢাকায়। চিহ্নিত ভবনগুলো ভেঙে ফেলা বা ঝুঁকি

51ab7d7f1977d-2মুক্ত করার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

এ ধরনের ঝুকিপূর্ণ ভবন ৬ থেকে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থের দোকান, গোডাউন ও কারখানা স্থাপন, কার্যকর ড্রেনেজ সিস্টেমের অভাব, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ নানা অনিয়মের কারণে পুরান ঢাকার জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিপদাপন্ন। যেকোনো সময় শাখারীবাজারে ভবনধস বা নিমতলীর রাসায়নিক গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের মতো ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে মানববন্ধনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়্।

তারা পুরান ঢাকার সমস্যাদি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের দাবি জানান।

পবার নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহানের 51ab7d7fa68c6-1সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান, সমন্বয়কারী আতিক মোরশেদ, দেবীদাস ঘাট সমাজকল্যাণ সংসদের সভাপতি মো. মুসা, একাত্তর ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ড. জেবুন্নাহার, গ্রীণমাইন্ড সোসাইটির সভাপতি আমির হাসান, বাংলাদেশ পীস মুভমেন্টের সভাপতি অধ্যাপক কামাল আতাউর রহমান, কৃষ্টি পরিষদের সভাপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন, পল্লীমা গ্রীণের সদস্যসচিব আনিসুল হোসেন তারিক, বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের সভাপতি অ্যাডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষ, বিসিএইচআরডির নির্বাহী

পরিচালক মো. মাহবুল হক, পবার নির্বাহী সদস্য মো. সেলিম, ইসলামবাগ অনির্বাণ সমাজকল্যাণ সংস্থার আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

Comments