মঙ্গলে অক্সিজেন মিশন ২০২০ সালে

Print Friendly, PDF & Email

সবুজ টেক ডেস্ক: নাসার মহাকাশ কর্তারা নতুন তথ্যে জানিয়েছেন, ২০২০ সালের মধ্যেই নাসা মঙ্গল গ্রহে সাত ধরনের বৈজ্ঞানিক প্রকল্প নিয়ে নভোযানটি যাত্রা করবে ।যার মধ্যে ২ টি ইউনিটের কাজ হবে মঙ্গলে দীর্ঘদিন অবস্থান করা। প্রায় ১৯০ কোটি ডলার ব্যায়ে নির্মিত ঐ নভোযানটি মঙ্গলের প্রধান গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডকে অক্সিজেনে রূপান্তরের চেষ্টা করবে।খবর বিবিস আর নাসা’র। 

বিবিসি জানায়, ২০২১ সালে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছবে নাসার পরবর্তী নভোযান। পৌঁছার পর পরই নভোযানটি এ লাল গ্রহে অক্সিজেন তৈরি শুরু করবে। এটি সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব অনুসন্ধান, পরবর্তী মিশনের পথ প্রশস্তকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবে। কার্বনডাই অক্সাইড কে অক্সিজেন এর রুপান্তরিত করার উদ্দেশ্য সফল হলে, গবেষনা যন্ত্র চালু রাখা এবং বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিন মঙ্গলে অবস্থান সহজ হবে,কেননা পৃথিবী থেকে জ্বালানী এবং অক্সিজের মঙ্গল গ্রহে বহন করে নিয়ে যা্ওয়া অনেক ব্যায়বহুল।

nasa-mars-2020-rover-instruments-640x353

পরবর্তী নভোযানটি মঙ্গলের প্রধান গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডকে অক্সিজেনে রূপান্তরের চেষ্টা করবে। এতে কোনো মিশন শেষে ফিরে আসার ক্ষেত্রে মঙ্গলে রকেটের জ্বালানি প্রস্তুত করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। নভোযানটিতে দুটি ক্যামেরা ও একটি গবেষণামূলক আবহাওয়া কেন্দ্রও থাকবে। মঙ্গলে এ ধরনের নভোযান পাঠানোকে শিহরণ জাগানোর মতো বিষয় বলে উল্লেখ করেছেন নাসার নভোচারী জন গ্রান্সফেল্ড। সম্প্রতি তিনি ওয়াশিংটনে মার্চ ২০২০ সায়েন্টিফিক প্লেলোডের ঘোষণা দেন।
২০১২ সালে মঙ্গলে পাঠানো নভোযান কিউরিওসিটির আদলে নতুন যানটি প্রস্তুত করা হবে। এটি তৈরিতে খরচ পড়বে ১৯০ কোটি ডলার।

নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, অক্সিজেন তৈরি করা সম্ভব হলে মঙ্গল অভিযাত্রার অনেক উদ্দেশ্য সফল করা সম্ভব হবে। বর্তমানে নাসার অনেক নভোযান কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে অক্সিজেন প্রস্তুত করছে। কিন্তু মঙ্গলের পরিবেশে এ ধরনের উদ্যোগ সফল হবে কিনা, সে বিষয়ে পরীক্ষা চালানোর জন্যই এটি সেখানে পাঠানো হবে। তাছাড়া গ্রহটিতে মানুষ পাঠানোর জন্যও সেখানে অক্সিজেন প্রস্তুতের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয়টিকে নভোযাত্রার গিয়ার পরিবর্তন বলে মন্তব্য করেছেন লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক টম পাইক।

সবুজপাতা/সবুজপ্রযুক্তি ডেস্ক

Comments