তুরাগে ১০৯ স্থাপনা; টানা উচ্ছেদ দাবী

Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা; ৮ মে:  টঙ্গী নৌবন্দর থেকে গাবতলী ব্রিজ পর্যন্ত মোট ২৩ কিলোমিটার এলাকা পর্যবেক্ষন করে, ১০৯ টি প্রতিষ্ঠানের অবৈধ স্থাপনার খোঁজ পেয়েছেন তুরাগনদ রক্ষা দাবীতে আন্দোলন রত একদল তরুন। আজ পরিবেশ অধিদপ্তরের শুনানীতে অংশ নিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণে, আর হাইকোটের নির্দেশনা পালনে ১ ঘন্টা/২ ঘন্টার লোক দেখানো অভিযানের বদলে সপ্তাহবাপী টানা অভিযান চালানোর আহবান জানিয়েছেন তারা। সেই সাথে কারা কিভাবে তুরাগের পাড় দখল করে পানি প্রবাহের জমিতে স্থাপনা নির্মান করছে সেই তালিকা আর ছবিও জমা দিয়েছে তারা। রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর মধ্যে তুরাগ অন্যতম। বন্যা বা বর্ষা মৌসুমের পানি নিষ্কাষনের জন্য তুরাগনদ কে সুরক্ষা করার দাবী দীর্ঘ দিনের।

5

বড় বড় ৯ টি স্থাপনা করা হয়েছে যাদের মধ্যে উত্তরা রিভার ভিউ প্রকল্প, সেভেন রিং সিমেন্ট, মীর আকতার কন্সট্রাকশনস, ডম-ইনো কন্সট্রাকশনস, ক্যাম্ব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ টেলিভিশন নামের সাইনবোর্ড পা্ওয়া গেছে,যাদের কেউ-ই নদীর পাড়ে এমন স্থাপনার বিপরিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র দেখাতে পারেনি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তরফ থেকে এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে টানা অভিযানের জন্য  তাদের সীমাবদ্ধতার কথা জানানো হয়েছে, লোকবলের অভাবের কারণ দেখানো হয়েছে। তবে তুরাগ নদ রক্ষা আন্দোলনের তরফে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন –বাপার যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, নিদেনপক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর তাদের কে নোটিস জারি করতে পারে। তিনি আক্ষেপ করেন, আদালতের রায় কেউ যদি লঙ্ঘন করে তাহলে পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়া কার কাছে গিয়ে বিচার চাইবে মানুষ! তিনি জলাধার সংরক্ষন আইনের যে ধারা,সেই ধারা প্রয়োগ করে তুরাগে অভিযান চালানোর পরামর্শ দেন পরিবেশ অধিদপ্তরকে। উপস্থিত কর্মকর্তারা তরুনদের তথ্য উপাত্ত গ্রহন করে খুব শ্রীঘ্রই মাঠে নামার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মাথায় ‘সেভ তুরাগ’ ব্যানার বেধে উপস্থিত হন বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তাদের মধ্যে, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, সবুজপাতা , রিভারকিপার বাংলাদেশ, বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার, নিরাপদ ফাউন্ডেশন, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট, আঁচল ট্রাস্ট, প্রকৃতিজন, স্কোপ, গ্রীন মাইন্ড সোসাইটি, সিএফডি, পিস, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট অন্যতম।

ফরিদুজ্জামান ফরিদ

সংবাদ কর্মী

Comments