তিন মাস পর উন্মুক্ত হলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু

Print Friendly

রাঙ্গামাটি, ২৯ অক্টোবর  :বিপদসীমার নীচে এবং ডুবন্ত অবস্থা থেকে ভেসে উঠে চলাচলের উপযুক্ত হওয়ায় অবশেষে পর্যটকদের জন্য আবারো খুলে দেয়া হলো রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু।

দীর্ঘ প্রায় তিন মাস পানিতে ডুবে থাকার পর অবশেষে বুধবার পানি কমে যাওয়ায় রাঙামাটি পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণীয় এই ঝুলন্ত সেতুটি পর্যটকদের চলাচলের জন্য খুলে দিলো রাঙামাটির পর্যটন কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ এই তিন মাসে রাঙামাটির অন্যতম এই সেতু থেকে অন্তত ১২ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতি বলে জানান রাঙামাটি হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা।

১৯৮৩ সালের দিকে পর্যটন কর্পোরেশন পর্যটকদের সুবিধার্থে ও মনোরঞ্জনের জন্য দুই পাহাড়ের মাঝখানে সংযোগ স্থাপনে এই আর্কষণীয় সেতুটি তৈরি করে।

চলতি বর্ষা মৌসুমে টানা বর্ষনের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে গত ২ আগষ্ট ঝুলন্ত সেতুটি প্রায় তিন ফুট পানির নিচে ডুবে যায়। এতে পর্যটন কর্তৃপক্ষ ঝুলন্ত সেতুর উপর দিয়ে পর্যটকদের চলাচল বন্ধ করে দেয়।

অবশেষে দীর্ঘ তিন মাস পর কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় বুধবার থেকে পর্যটকদের ঝুলন্ত সেতুর উপর দিয়ে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিগত এই তিন মাস পানিতে ডুবে থাকায় সেতুর অনেক পাটাতন ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। তবে কর্তৃপক্ষ সেগুলো মেরামত শুরু করেছে।

রাঙামাটি সরকারী পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা জানান, রাঙামাটির ঐতিহ্যবাহী ও রাঙামাটির সিম্বল পর্যটন ঝুলন্ত সেতুটি কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ২ আগস্ট প্রায় তিন ফুট পানির ডুবে যায়। বুধবার পানি কমে যাওয়ায় সেতুর উপর চলাচলের জন্য সেতু উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘ তিন মাস সেতু ডুবে থাকায় সেতুর অনেক পাটাতন নষ্ট হয়েছে সেগুলো মেরামতসহ সেতুটি আকর্ষণীয় করতে রং করা হবে জানিয়ে তিনি জানান, তিন মাস পর্ষন্ত পর্যটন ঝুলন্ত সেতুটি পানিতে ডুবে থাকায় প্রায় ১২ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।

এদিকে রাঙামাটির অন্যতম আকর্ষণ এই ঝুলন্ত সেতুটি ডুবে যাওয়ায় এখানে বেড়াতে আসা হাজারো পর্যটক হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন। সেতুটিকে সংস্কার করে কাপ্তাই হ্রদের পানির বিপদসীমার উপরে স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Comments