পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখরিত মহামায়া লেক

image_65650_0

সবুজপাতা ডেস্ক: ষড়ঋতুর আবর্তে আবারো এলো শীত। শীত এলেই শুরু হয় পরিযায়ী তথা অতিথি পাখিদের আগমন। এই সময়টাতে মেরু অঞ্চল, ইউরোপ, সাইবেরিয়া, এশিয়ার কিছু অঞ্চল এবং হিমালয়ের আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত বরফ পড়ার কারণে তুলনামূলক কম শীতের এই বাংলাদেশে খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় চলে আসে অতিথি পাখিরা। ফলে এ সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন হাওড়-বাওড়, খাল-বিল ভরে ওঠে পাখিদের আনাগোনা ও কলকাকলীতে।

অতিথি পাখিরা দেশের সব স্থানে যায় না। সেসব স্থানে পাখিদের খাদ্যের প্রাচুর্য্য আছে সেসব জায়গায় এবং বিশালাকার জলাশয়ের এলাকাতেই এরা ছুটে যায়। আর তাই পরিযায়ী পাখিদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক মিরসরাইয়ের মহামায়া লেক।

শীতের শুরুর দিকে পাখিদের আনাগোনা কম থাকলেও বর্তমানে মহামায়ায় বেড়েছে পাখিদের সংখ্যা। অতিথি পাখিদের আগমনে মহামায়ার রূপবৈচিত্রে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। আর সেই পাখিদের সঙ্গে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে সৌন্দর্য্য পিপাসুরা ছুটে আসছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। এখানে আসা পাখিগুলোর মধ্যে বালি হাঁস, লেঞ্জা, সরালী, চখাচখী, ছোট সারস পাখি, ডুবুরি পাখি, নিশাচর পাখি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

বসুরহাট থেকে মহামায়ায় পাখিদের সৌন্দর্য্য দেখতে আসা পর্যটক জুলহাস মিয়া জানান, শীতকালে মহামায়াতে এর আগে কখনো আসা হয়নি। অতিথি পাখিদের সাথে শীতের মহামায়াকে সত্যিই সুশোভিত লাগছে।

শিশু পর্যটক আহনাব আবির তার অনুভূতি প্রকাশ করে জানায়, স্কুলের ছুটির মধ্যে মহামায়াতে ঘুরতে এসে তার খুব ভালো লাগছে। লেকের পাখিদের কলকাকলী মুগ্ধ করেছে তাকেও।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে মহামায়া প্রকল্পের ইজারাপ্রাপ্ত মেসার্স আহসান ট্রেডিং-এর স্বত্বাধিকারী এস এম আবু সুফিয়ান বিপ্লব জানান, শীতের অতিথি পাখিদের অবাধ বিচরণ ও তাদের রক্ষার জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে, পাখি শিকারীদের দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্যও জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

কৃতজ্ঞতা: এম মাঈন উদ্দিন, নতুন বার্তা ডটকম

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top