কুমিল্লায় অবাধে চলছে পাহাড় কর্তন ও বৃক্ষ নিধন

Print Friendly, PDF & Email

কুমিল্লা, ১৪ ফেব্রুয়ারীঃ কুমিল্লায় অবাধে চলছে পাহাড় আর গাছ কাটা । এরই মধ্যে বুড়িচং উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের পাহাড়ে বন বিভাগের চার শতাধিক কাঠ গাছ ও মাটি কেটে নিয়ে গেছে এলাকার একটি চিহ্নিত চক্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুড়িচং উপজেলার বাকশিমূল ইউনিয়নের আনন্দপুর ও কালিকৃঞ্চনগর গ্রামের ৬৫ একর ভূমির উপর ১৯৯৬-৯৭ সালে গড়ে তোলা হয় সামাজিক বনায়ন। ৫৫ ভাগ সরকারি মালিকানা ও ৪২ ভাগ স্থানীয় এলাকাবাসীর মালিকানার চুক্তিতে গড়ে উঠে এই বন। দ্বিতীয় দফায় একই চুক্তিতে ওই এলাকায় ২০০৭-২০০৯ সালে একাশি, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন প্রজাতির কাঠের গাছ লাগানো হয়।

তবে গত কয়েকদিনে আনন্দপুর ও কালিকৃঞ্চনগর এলাকার চার শতাধিক কাঠের গাছ কেটে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা। এই গাছের মূল্য ১০ লাখ টাকা হবে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এদিকে একই এলাকায় সামাজিক বনায়নের পাশে পাহাড়ের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে এলাকার আরেকটি চক্র।

বাকশীমূল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল হক মাস্টার অভিযোগ করেন, আনন্দপুর ও কালিকৃঞ্চনগর এলাকার শত শত কাঠের গাছ কেটে নিয়ে গেছে কালিকৃঞ্চনগর এলাকার মনিরুল ইসলাম ধনু, খোকন, লিটন ও আবুল বাশার। এছাড়া আব্দুল আলিম ও তার সঙ্গীরা দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ের মাটি কেটে ট্রাক্টর যোগে বনায়নের ভিতর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গাছ ও মাটি কাটার কারণে নষ্ট হচ্ছে বনায়নের সৌন্দর্য ও পরিবেশ।

বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম ধনু, খোকন, লিটন , আবুল বাশার ও আব্দুল আলিমকে পাওয়া যায়নি।

বুড়িচং উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ তমিজ উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 সবুজপাতা প্রতিবেদক

Comments