নদী বাঁচাতে আদালতের রায় মানতে হবে- বাপা

Print Friendly, PDF & Email

ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারী: আদালতের রায় অমান্য করে ভুলভাবে নদীর সীমানা পিলার স্থাপন বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা)।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির হলরুমে নদীর সীমানা পিলার, আদি বুড়িগঙ্গা ও সোনাই নদী বিষয়ে সরকারি কার্যক্রম এবং বাপার বক্তব্য শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলন এ দাবি জানানো হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, ২০০৯ সনে মহামান্য হাইকোর্ট নদী রক্ষায় যুগান্তকারী রায় প্রদানের পর ভূমি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে নদীর সীমানা পিলার বসানোর নির্দেশ দেয়। কিন্তু সে নির্দেশ অমান্য করে ভুলভাবে নদীর সীমানা পিলার স্থাপন করা হচ্ছে।

বাপার সভাপতি ডা. আবদুল মতিন বলেন, আমরা দেখেছি নদী রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যথেষ্ট আন্তরিকতা, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে এবং নদী টাস্কফোর্সের সভায় বিভিন্ন সময়ে অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। কিন্তু কি কারণে উচ্চ পর্যায়ের এ সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে না, আমাদের মত দেশবাসীরও একই প্রশ্ন। এসময় তিনি, জনগণের বৃহত্তর কল্যাণ নিশ্চিত করতে নদী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ কামনা করেন।

বাপার সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ জামিল জানান, বিভিন্ন সময়ে নদী বিষয়ক টাস্কফোর্স সীমানা পিলার স্থাপন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের উদ্যোগ নেয় এবং কয়েকটি তদন্ত কমিটিও গঠিত হয়। কিন্তু সর্বশেষ গঠিত তদন্ত কমিটির মতামত ও সুপারিশ পর্যালোচনা না করে টাস্কফোর্স ভুলভাবে স্থাপিত সীমানা পিলার বিআইডব্লিউটিএ-কে বুঝে নিতে নির্দেশ দেয়। অপরদিকে আদি বুড়িগঙ্গা সংরক্ষণ ও সীমানা চিহ্নিত না করে টাস্কফোর্স নদীর জায়গা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে লিজ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।

সংবাদ সম্মেলনে নদী রক্ষা বিষয়ে মূলবক্তব্য রাখেন বাপার যুগ্মসম্পাদক ও বুড়িগঙ্গা রিভারকিপার শরীফ জামিল। আরও বক্তব্য দেন যুগ্মসম্পাদক শাহজাহান মৃধাসহ প্রমুখ।

সবুজপাতা প্রতিবেদন

Comments