Homeসবুজ কৃষি (Page 8)
Archive

রমজানে বাড়ীর পাশের ডাস্টবিনে উচ্ছিষ্ট নষ্ট ইফতারীর যে ছোট ছোট স্তুপ জমতে দেখেছি, সেখানে কলা নষ্ট হতে দেখেছি অনেক। কতজন মানুষ মানুষ তাদের খাদ্য তালিকায় কলা রাখে প্রতিদিন?  আমাদের মধ্যে অনেকে-ই গোগ্রাসে কলা খান, আবার অনেকেই একেবারে দেখতে পারেন না এই ফলটিকে। যারা বেশি কলা

সাম্প্রতিক কালে কৃষিতে জিএম তত্ব নিয়ে আলোচনা বিস্তর।বাংলাদেশে পরিক্ষামূলক ভাবে বেগুনের জিন পরিবর্তন করে নতুন এক ধরনের বেগুন চাষের অনুমোদন দিয়েছে সরকারের কৃষিবিভাগ, মূলত এই দেশে জেনেটিক্যালী মডিফাইড বা জিএম তত্ব নিয়ে বির্তকের শুরুটা সেখান থেকেই। জিএম খাদ্যপন্যের উৎপাদনে যুক্তি হচ্ছে, এটা এমন এক ধরনের

 "পৃথিবীর ৬টি সনামধন্য গবেষনাগারে এই বিটি বেগুনের গুনাগুন আর সাম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে যে প্রতিবেদন পা্ওয়া গেছে তার একটিতেও মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক কোন পদার্থ পা্ওয়া যায়নি"- কৃষি গবেষনা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ড. মো: রফিকুল ইসলাম মন্ডল  ঢাকা, ৯ জুলাই:  বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৮০ লক্ষ কৃষক বেগুনের চাষ

ঢাকা, ২ জুলাই:  সবুজাভ তুমি আমার নয়নে। মানুষের চোখে সবুজের আভা না থাকলে সে স্পষ্ট করে অন্য রং দেখতে পায় না। তাই আমি বৃক্ষ মেলায় দেখতে শুধু এসেছি। গাছ আমি ভালোবাসি। তার মানে আমার থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই। যেখানেই গাছ আছে

ঢাকা; ১২ জুন:  কেরামত উল্লাহ বিপ্লব। মাঠের সাংবাদিক হিসেবে পরিচিতি যার বেশি। এই মধ্য বসয়সেও ঘুরে বেড়ান টেলিভিশনের ভারী ট্রাইপড কাধে নিয়ে নিরন্তর। কাজ করেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে, তার আগে বন্ধ হ্ওয়ার আগ পর্যন্ত কাজ করেছেন চ্যানেল ওয়ান এ। সম্প্রতি তিনি একজন ফলচাষী হিসেবে

ঢাকা,১০ জুন: অনেক বিতর্কের মধ্যে বিটি বেগুনের চাষ শুরু হলেও দেশের প্রায় অর্ধেকের বেশী বিটি বেগুন ক্ষেতে মড়ক ধরেছে। গত জানুয়ারি মাসে সারাদেশের চার অঞ্চলের ২০ জন কৃষক বিটি বেগুনের প্রাথমিক চাষ শুরু করে। যার চারা সরবরাহ করে দেশের শীর্ষ স্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি

সবুজপাতা: অদম্য দাঁড়িয়ে, খোলা আকাশে মাথা উঁচু করে, লক্ষে স্থির হয়ে, হৃদয়ের কান্না দমিয়ে, একজন কৃষক সেইসব ভোক্তাদের আশায় থাকে যারা পণ্য কিনতে আসবে। অথচ সে বাড়ি ফিরে তার পণ্যটিকে উৎপাদন ব্যয়ের চেয়েও কম দামে বিক্রি করে। অনেক সময় ক্রেতার অভাবে দিনের শেষেও তার সেইসব পণ্য

 ঢাকা, ২১ মে;  সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 'এফএও' এবং দেশীয় সম্মিলত গবেষণা প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, বাংলাদেশের ৪০ ভাগ খাদ্যই রাসায়নিক উপাদান যুক্ত।  নিরাপদ খাদ্য নিয়ে তাই এখন সর্বকালের সবচে বেশি উদ্বেগ বিরাজ করছে ভোক্তা মহলে। 'স্টপ পয়জনিং আস' বা 'আমাদের বিষাক্ত করা বন্ধ করুন', এই

/