আপনার বাসার ছাদটি কি সবুজ ছাদ?

সবুজ ছাদ হচ্ছে সবুজ গাছ সম্বলিত ছাদ। এমনকি যদি বারান্দার ছাদে টবে গাছ লাগানো হয় তবে তাও। কিন্তু প্রকৃত ‌’সবুজ ছাদের’ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সরাসরি ছাদের ওপর মাটি দিয়ে তাতে গাছ লাগানো। কোন টবে গাছ লাগনো নয়। সাধারণত বাগানের মতোই বারান্দায় টবে গাছ লাগানো চমৎকার কাজ। তবে তাকে প্রকৃত পক্ষে ‘সবুজ ছাদ’ বলা যায় না।

calhoun1

দুই ধরণের সবুজ ছাদ রয়েছে- একটি হচ্ছে গভীর অপরটি অগভীর। সবুজ ছাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন, তবে এদের সুবিধাসমুহ একই রকম।

যেমন-

১. বৃষ্টির পানি জমে বন্যার ভয় থাকে না

২. ছাদের ওপর জন্মানো গাছ এবং আগাছা গ্রীষ্মকালে ছায়া দিয়ে ঘরকে শীতল রাখে এবং শীতকালে তাপ আটকে        রেখে ঘরকে গরম রাখে।

৩. পাখি ও অন্যান্য প্রাণীদের আকৃষ্ট করে এবং জীববৈচিত্র বৃদ্ধি করে।

৪. সবুজ ছাদের মাধ্যমে ময়লা পানিকে পরিশোধন করা যায়।

৫. উচ্চ শব্দ রোধক হিসেবে কাজ করে

৬. মানুষ, মৌমাছি ও অন্যান্য কিটপতঙ্গের খাদ্যের উৎস হিসেবে কাজ করে

৭. বাড়ির সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে।

‘সবুজ ছাদ’ তৈরি করা কঠিন কোন কাজ নয়। তবে এটি তৈরির জন্য একটা ভালো পরিকল্পনা থাকতে হবে।

একটি সবুজ ছাদের ৬ টি স্তর থাকে। এক্ষেত্রে ঘরের ছাদ কাঠামোগত অবলম্বন হিসেবে কাজ করে। আর ছাদ তৈরি পূর্বে একজন প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে নেয়া যেতে পারে যাতে ছাদ শক্তিশালী হয় এবং ভেঙ্গে না যেতে পারে।

এক্ষেত্রে পাতলা পানিরোধক পর্দা ব্যবহার করা যেতে পারে, এটি করতে পানি নিষ্কাশন স্তর ঠিক করা উচিত বায়ুকরণ স্তর যা বাতাস চলাচলে সহায়তা করে এটি পানি আবদ্ধকরণ স্তর যা প্রয়োজনমতো পানি ধরে রাখে এবং সবশেষে উদ্ভিদ জন্মানোর মাধ্যম বা মাটির স্তর ঠিক করা উচিত। এই স্তরের উপর ভিত্তি করেই গভীর বা অগভীর সবুজ ছাদ হয়। এবং ছোট বা বড় গাছ লাগানো হয়।

সম্পাদনা: মুকিমূল হিমেল

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top