ঢাকায় ‘গ্রীন বিল্ডিং’ উদ্বোধন ডিসেম্বরে

Print Friendly

 প্রকৃতিবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি সবুজ ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে ৫৩ গুলশান এভিনিউয়ে। নির্মিত হলে এইটিই হবে দেশের প্রথম বিশ্বমানের পরিবেশবান্ধব বহুতল বাণিজ্যিক ভবন। আর এশিয়ার ২৭তম গ্রিন বিল্ডিং। এমন দাবী সিটিস্কেপ টা্ওয়ার নামের ভবনটির উদ্যোক্তাদের।

ঢাকা,২২ অক্টোবরঃ এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে মাত্র ১২৬টি সনদপ্রাপ্ত পরিবেশবান্ধব ভবন (গ্রিন বিল্ডিং) রয়েছে। এর মধ্যে এশিয়াতে রয়েছে মাত্র ২৬টি।মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা ও সার্চ জায়ান্ট গুগলের হেডকোয়ার্টার যে আদলে নির্মিত তেমনই একটি ভবন হবে সিটিস্কেপ টাওয়ার।

রাজধানীর গুলশানে স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে সোমবার দুপুরে সিটিস্কেপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড আয়োজিত সিটিস্কেপ মিডিয়া কনফারেন্সে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বমানের গ্রিন বিল্ডিং নির্মাণের মাধ্যমে এটি ইউনাইটেড স্টেটস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত কেয়ার অ্যান্ড সেল ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ সনদ ‘লিড প্লাটিনাম’ প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জন করবে।

Qatar-Green-Building-council

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদ সারোয়ার বলেন, ‘আমাদের এই বিল্ডিংটির ৯০ শতাংশ কাজ শেষ পর্যায়ে। আগামী ডিসেম্বরেই উদ্বোধন করবো। আমরা যে কাজটি করেছি তা খুবেই কঠিন কাজ। ভবিষ্যতে জমি, বিদুৎ, খাবার পানির অভাব প্রকট আকার ধারণ করবে। আমার যদি এখন থেকে সেটার চিন্তা না করি তাহলে আমরা ভুল করবো। এ ব্যাপারে সাড়া বিশ্ব যেভাবে চিন্তা করছে আমার দেশ সে ভাবে চিন্তা করছে না।’

সংবাদ সম্মেলনে সিটিস্কেপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল রশিদ বলেন, ‘প্রযুক্তিগত দিক বিবেচনায় সর্বাধুনিক এই বাণিজ্যিক ভবন সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ পানি ও ৪৪ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এটি ৭ দশমিক ৫ রিখটার স্কেল পর্যন্ত ভূমিকম্প সহনীয় বলে বুয়েট ও বিটিআরসি কর্তৃক স্বীকৃত। সোলার প্যানেলের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা, রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, বিশুদ্ধ বায়ু প্রবাহ, আন্ডার ভেইকেল সারভেইলেন্স সিস্টেম, ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা ও বিশ্বমানের অক্সেস সিস্টেম রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদ সারোয়ার, হেড অব মার্কেটিং কমিউনিকেসন্স অ্যান্ড সেলস তৃণা ফাল্গুনী, বাংলাদেশের গ্রীন বিল্ডিং কনসালটেন্ট ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মুজতবা আহসান ও শাহরিয়ার ইকবাল রাজ।

 সবুজপাতা প্রতিবেদন

Comments