পাইলিনের আঘাত শুরু;ব্যাপক ঝড় ও বৃষ্টিপাতে কমপক্ষে ৫ জন নিহত-দ্যা হিন্দু

phailin-track630.jpg

ঢাকা, শনিবার:   আঘাত হানতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় পাইলিন। উড়িষ্যা রাজ্যে পাইলিনের প্রভাবে ব্যাপক ঝড় ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঝড়ে কমপক্ষে ৫ জন নিহত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্যা হিন্দু ।

আবহাওয়াবিদের ভাষ্য অনুসারে, ভারতের পূর্ব উপকূলীয় উড়িষ্যা ও দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় অন্ধ্র প্রদেশে ,ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানবে পাইলিন। সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিলে, এবং যতদ্রুত মানুষজন কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে না নিলে, ১৯৯৯ সালের ঘূর্ণিঝড়ে  ১০ হাজার জন নিহত হওয়ার রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশংকা তাদের।
BL12_PG1_PHAILIN1_1615707f

এর-ই মদ্যে নিরাপদে  সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এ দুই প্রদেশের উপকূলবাসীদের। এরই মধ্যে সাড়ে ৫ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় বার্তা সংস্থাগুলোর দেয়া তথ্যে জানা যায়,  উড়িষ্যার উপকূলীয় অঞ্চল থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার জনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রদেশটির গঞ্জম শহর থেকেই ১ লাখ ২০ হাজার জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ৮০ হাজার জনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে ভুবনেশ্বর বিমানবন্দরে ৫০০ টন ত্রাণ সামগ্রী জড়ো করা হয়েছে।

পাইলিনকে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় হিসেবে বিবেচনা রছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।  আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভারতে আঘাত হানলে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।  অন্ধ্রপ্রদেশ ও উড়িষ্যার কমপক্ষে সাতটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উড়িষ্যা প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী সুরিয়া নারায়ণ বলেছেন, ‘আমরা প্রকৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি। এবার আমরা আগের চেয়ে প্রস্তুত। আমরা ১৯৯৯ সাল থেকে শিক্ষা নিয়েছি। ১৯৯৯ সালের ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

পাইলিনের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, বিহার ও উত্তর প্রদেশে বৃষ্টিপাত হতে পারে।

পাইলিনের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার দুপুরের পর থেকেই খুলনার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে দমকা হওয়া ও ঝড়ো বৃষ্টি।  রাজধানী ঢাকায়ও কিছু সময়ের জন্য বৃষ্টিপাত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top