গাজীপুরে আগুন: নিহতরা জীবন বাচাতেই জীবন দিয়েছেন দাবী বিজিএমই’র

ap_bangladesh_factory_fire_ss1_jt_121125_ssh.jpg

ফাইল ছবি

ঢাকা: বুধবার

গাজীপুরের আসওয়াদ কম্পোজিটে উন্নতমানের কর্মপরিবেশ ছিল। দুই বছর আগে থেকেই সেখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি ছিল। নিহত সাত শ্রমিকের সবাই ছিলেন অগ্নিনির্বাপক (ফায়ার ফাইটার)।  বিজিএমইএ কার্যালয়ে আজ বুধবার রাত পৌনে আটটায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই দাবি করেন সমিতির সভাপতি আতিকুল ইসলাম। তিনি আসওয়াদ কারখানার অগ্নিকাণ্ডকে কেবল একটি ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে অবহিত করেন।

এ প্রসঙ্গে নিহত ‘এজিএম (অ্যাডমিন) রাশেদুজ্জামান মন্ডল স্যার ওরফে রাশেদের উদাহারন টানেন বিজিএমইএ নেতারা। তারা জানান, পলমল গ্রুপের মালিকানাধীন আসওয়াদ কম্পোজিট লিমিটেড কারখানায় ভয়াবহ আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন ।প্রচন্ড ধোঁয়ায় রাশেদ আর বের হতে পারেননি। রাতেই তার রুমের পাশে তার কঙ্কাল পাওয়া যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আসওয়াদ কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাফিস শিকদার, পলমল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ করিম, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বর্তমান সহসভাপতি এস এম মান্নান, শহিদুল্লাহ আজিম প্রমুখ।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে পলমল গ্রুপকে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে বলেছি। আশা করি, প্রতিবেদন পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’
নাফিস শিকদার বলেন, ‘লাশ দাফনের জন্য প্রত্যেক নিহতের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা ৫০ হাজার করে টাকা দিয়েছি। পরে সাড়ে চার লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া ইনস্যুরেন্স বাবদ প্রত্যেকের পরিবার দুই লাখ করে টাকা পাবেন।’
নাফিস শিকদার আরও বলেন, ‘অগ্নিনির্বাপণের সব ধরনের সরঞ্জাম থাকার পরও এক লাখ ১৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের তিনটি ইউনিটে আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এটা আমাদের জন্য একটি নতুন বার্তা।’
নাশকতার আশঙ্কা করছেন কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নাফিস শিকদার বলেন, ঘটনার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আমি সেখানে ছিলাম। সবার সঙ্গে কথা বলেছি। সে রকম কিছু পাইনি। তবে যেহেতু ফায়ার সার্ভিস ও সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। ফলে এই মুহূর্তে কিছু না বলাই ভালো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top