পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

4-20130824-ZakirHossain-309.jpg

চাঁদপুর, ১ মে : আজ ১ মে থেকে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশ মাছ শিকারে আর কোনো বাধা থাকছে না। ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার প্রতি বছরই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই মাস বন্ধ থাকার পর আবারও শুর হচ্ছে মাছ শিকার।

দেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার প্রতি বছরই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল অভয়াশ্রম কর্মসূচি ঘোষণা করে। অভয়াশ্রমের নির্দিষ্ট সময়সীমা ৩০ এপ্রিল শেষ হয়। অভয়াশ্রম শেষে মাছ ধরার আনন্দে চাঁদপুরের জেলে পল্লীতে আনন্দের জোয়ার বইছে।

20150316140253

বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার বড়স্টেশন ও বহরিয়া এলাকার জেলে পল্লীতে গিয়ে দেখা যায়, তাদের চোখে মুখে আনন্দের ঝিলিক। মাছ ধরার প্রস্তুতি নিয়ে জেলেরা এখন মহাব্যস্ত। ইতোমধ্যে নৌকা মেরামত, জাল ঠিক করা, নৌকার দাঁড় তৈরি করা, রাত জেগে নদীতে থাকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এমনকি অনেকে দাদন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধও হয়েছেন।

জেলেদের দেখলে মনে হয়, যেন এখন দম ফেলার সময় নেই। দু’মাস মাছ ধরতে না পারায় এ পরিবারগুলো যেন হাঁপিয়ে উঠেছিল। শত অভাবের মাঝেও তারা অন্য পেশায় না গিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনেছে।

তবে দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলার ৫০ সহস্রাধিক জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছিল হা-হা-কার। যদিও সরকার জেলেদের তালিকা তৈরি করে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল দিয়ে তাদের অভাব মোচনের চেষ্টা করেছে। কিন্তু স্থানীয় মৎস্য বিভাগের অদূরদর্শিতা ও সংশ্লিষ্টদের কারচুপির কারণে জেলেরা সঠিকভাবে তাদের হিস্যা বুঝে পায়নি। তাই অনিয়ম ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগসহ প্রশাসনের ঢিলেঢালা অভিযানের কারণে অসাধু জেলেরা এ বছর অবাধে চালিয়েছে জাটকা নিধন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সফিকুর রহমান সবুজপাতা ডটকমকে  জানান, এ বছর জেলার মতলব দক্ষিণ, মতলব উত্তর, হাইমচর ও চাঁদপুর সদর উপজেলার ২৮ হাজার ৯৬৮ জেলে পরিবারের মাঝে ৪০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মে মাস পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

সবুজপাতা প্রতিবেদন

scroll to top