৪০ বছরে বন্যপ্রাণীর সংখ্যা অর্ধেক !

017101174_30300.jpg

ঢাকা,২২ অক্টোবরঃ গত ৪০ বছরে পৃথিবীতে বিচরণকারী বন্যপ্রাণীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ওয়াল্ডলাইফ ফান্ড (ডব্লিউডব্লিউএফ) ও জুয়োলজিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডনের (জেডএসএল) এক গবেষণায় বলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার গবেষণার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। খবর বিবিসির।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৭০ সালের তুলনায় ২০১০ সালে মাছ, পাখি, স্তন্যপায়ী, উভচর ও সরীসৃপ প্রাণীর সংখ্যা ৫২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। প্রাণী হ্রাসের হারের মধ্যে সবচেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে মিঠাপানিতে বসবাসকারীরা। ওই সময়ে এদের পরিমাণ ৭৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদনে বলেছে, মনুষ্য হুমকির ফলেই পরিবেশের এ বিপর্যয় ঘটছে। বিশেষত, লাতিন আমেরিকার মতো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকায় বেশি ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

lemur

জেডএলএস’র সাইন্স ডিরেক্টর কেন নরিস বলেন, ‘এ ক্ষতি অনিবার্য নয়, আমাদের জীবনযাত্রার পদ্ধতির ফলেই এ পরিণতি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, এখনও আশা শেষ হয়ে যায়নি। এ জন্য পরিবেশ রক্ষায় সংরক্ষণমূলক কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কল-কারখানার সহায়তা প্রয়োজন।

প্রতিবেদনটিতে কয়েকটি আরব রাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দাদের বিলাসী জীবনযাত্রার সমালোচনা করা হয়েছে। আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সম্পদ অপচয়ের ক্ষেত্রে কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব অমিরাত এগিয়ে রয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি পৃথিবীর সকল বাসিন্দা কাতারের সাধারণ বাসিন্দাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাহলে তাদের বসবাসের জন্য প্রায় ৫টি পৃথিবী লাগবে। আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যসূচক বাসিন্দাদের অনুসরণ করে তাহলে প্রায় ৪টি পৃথিবী লাগবে।

image_220_29539

গবেষণাটি প্রতি দুই বছর পর পর করা হয়। সর্বশেষ প্রকাশিত ‘লিভিং প্লানেট’ গবেষণাকর্মটিতে ৩ হাজার ৩৮ মেরুদণ্ডী প্রজাতির প্রায় ১০ হাজার প্রাণীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ডাটাবেজটি জেডএসএল-এ সংরক্ষিত রয়েছে।

সবুজপাতা প্রতিবেদন

scroll to top