নদী নিয়ে মনযোগ প্রধানমন্ত্রীর

PM.Still0031.jpg

ঢাকা; ২৭ জুলাই:  নদীর নাব্যতা রক্ষা, ওয়াটার ওয়ে তৈরি ও নদীকে ঘিরে বিনোদনের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেথ হাসিনা। সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নতুন নদী পথ ও সড়কপথ চালু করণ বিষয়ে বৈঠকের পূর্বে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

PM.Still002এসময় তিনি জানান, সরকারের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ঢাকার নদীর প্রাণ ফিরিয়ে দেয়া বা নদীর নাব্যতা রক্ষা, রিংরোড ও নৌপরিবহন যোগাযোগ বৃদ্ধি করার।তিনি বলেন, ঢাকাকে ঘিরে যে চারটি নদী রয়েছে সেগুলোকে রক্ষা করতে দখলরোধ ও নদীদূষণ থেকে বাচাতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও সেনাকর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত মাসে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের নদী-খাল-বিলের নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন বর্তমানে নদী ড্রেজিংয়ের ৭টি প্রকল্প চালু রয়েছে।

তিনি বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে খাল-বিল পুনঃখননসহ বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ কাজ ‘কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা)’ বাস্তবায়নের নিমিত্ত একটি ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪০৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। পরীক্ষা নিরীক্ষান্তে ডিপিপিটি অনুমোদনের পর খাল-বিল পুনঃখননের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আওতায় এই নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে পুংলি, বংশাই এবং তুরাগ নদী পুনঃখনননের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের তিনটি বৃহৎ নদী যমুনা, পদ্মা এবং মেঘনা। এই নদীগুলোর প্রস্থ কোন কোন জায়গায় বর্তমানে ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

নদীর তলদেশ উপরে উঠে যাওয়ার কারণে এর পানি ধারণের জন্য প্রশস্ততা বেড়ে গেছে। এই নদীগুলোর প্রশস্ততা ৫ কিলোমিটারের চেয়ে বেশি হওয়ার প্রয়োজন নেই মর্মে বিশেষজ্ঞগণের মতামত পাওয়া গেছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে একসাথে নদী খনন করে গভীরতা বৃদ্ধি এবং খননের ফলে প্রাপ্ত প

পলি মাটি দ্বারা নদীর অপ্রয়োজনীয় অংশ ভরাট করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

scroll to top