শব্দ দূষণের রাজধানী ঢাকা

04noise2.jpg

06-06

 

 

 

 

সবুজপাতা ডেস্ক: নভেম্বর মাসের ২০ দিনই কেটে গেছে অবরোধ, হরতাল এবং সাপ্তাহিক ছুটিতে। এই সময় রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা ছিল অপেক্ষাকৃত কম। মানুষের চলাফেরাও কমে গিয়েছিল। তার পরও রাজধানীতে শব্দ ছিল সহনীয় মাত্রার চেয়ে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সংবাদ সম্মেলনে পবার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোবহান বলেন, মানুষের অসচেতনতা ও দায়িত্ববোধের অভাবে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। পবা নভেম্বর মাসে ঢাকার ৮৯টি এলাকার শব্দের মাত্রা পরিমাপ করে। নীরব, আবাসিক, মিশ্র, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা—এই পাঁচ ধরনের এলাকায় জরিপ করেছে পবা। তাতে দেখা গেছে, নীরব এলাকায় (হাসপাতাল, শিক্ষাকেন্দ্র, সরকারি বিশেষ কার্যালয়) শব্দের মাত্রা ৭৫ থেকে ৯৭ ডেসিবল। এ ধরনের এলাকায় সহনীয় মাত্রা ৫০ ডেসিবল। ঢাকা শিশু হাসপাতালে দিনে শব্দের গড় মাত্রা ছিল ৯৭ ডেসিবল, শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হূদেরাগ ইনস্টিটিউটে এর মাত্রা ছিল ৮৭ ডেসিবল।
বাণিজ্যিক এলাকায় সহনীয় মাত্রা দিনে ৭০ ডেসিবল। তবে পবার জরিপে রাজধানীর বিজয় সরণিতে মাত্রা ১০৭ ডেসিবল পাওয়া গেছে। জরিপে আবাসিক, মিশ্র ও শিল্প এলাকার প্রতিটিতে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি শব্দ পাওয়া গেছে। পবা গত এপ্রিল মাসেও রাজধানীর শব্দদূষণ নিয়ে জরিপ চালিয়েছিল। সে সময় বাণিজ্যিক এলাকায় ৯১ থেকে ১০৮ ডেসিবল শব্দমাত্রা ছিল। এসব এলাকায় নভেম্বরে শব্দের মাত্রা এক ডেসিবল কমেছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অসহনীয় শব্দদূষণ প্রভাব ফেলছে জনস্বাস্থ্যে। উচ্চশব্দ শিশু, গর্ভবতী ও হূদেরাগীর জন্য হুমকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top