Homeসবুজ উক্তিহারিকেন জ্বালাব, সুন্দরবন ধ্বংসের বিদ্যুৎ চাই না

হারিকেন জ্বালাব, সুন্দরবন ধ্বংসের বিদ্যুৎ চাই না

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর: বিশিষ্টি কলামিস্ট ও পরিবেশবাদী সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, ‘যদি হারিকেন জ্বালিয়ে থাকতে হয় তাতেও রাজি আছি কিন্তু সুন্দরবনকে ধ্বংস করার বিদ্যুৎ আমরা চাই না।’

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতান্ত্রিক বামমোর্চা আয়োজিত সুন্দরবন রক্ষায় রামপাল কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বাতিলের দাবিতে ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর  ঢাকা-সুন্দরবন রোডমার্চের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

মকসুদ বলেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প থাকলেও ভূ-খণ্ডরক্ষাকারী সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নাই। দেশের স্বার্থ না দেখে ও গণমতকে উপেক্ষা করে কিছু স্বার্থান্বেসীর পক্ষে সরকারের এ প্রকল্প কেউ মেনে নেবে না।’

এসময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘আপনি এক হাতে সুন্দরবনের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করবেন, অন্য হাতে চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ পুরস্কার গ্রহণ করবেন, আমরা তা মেনে নিতে পারি না।’

তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতারণার ওপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সরকারের সুন্দরবন ধ্বংসকারী এ প্রকল্প। যে সুন্দরবন বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা থেকে রক্ষা করে সে সুন্দরবন ধ্বংস করলে এ দেশ অরক্ষিত হয়ে পড়বে। উন্নয়ন নয়, এটি একটি ধ্বংস প্রকল্প।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকী বলেন, ‘সুন্দরবন ধ্বংসকারী রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প এ সরকার যদি বাস্তবায়ন করে তবে তিনি জনগণের মাঝে পরিবেশ ধ্বংসকারী ও জানমালের লুণ্ঠনকারী হিসেবে চিহ্নিত হবেন এবং তখন তার গদি কেউ রক্ষা করতে পারবে না।’

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, জ্বালানী বিশেষজ্ঞ বিডি রহমতুল্লাহ, বাসদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইয়াসীন মিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের অধ্যাপক আকমল হোসেন, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টির আহ্বায়ক মোশরেফা মিশু প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে রোডমার্চটি সুন্দরবন অভিমুখে যাত্রা করে।

No comments

Sorry, the comment form is closed at this time.