Homeসবুজ সংবাদ‘ রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হলে সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না’-প্রধানমন্ত্রী

‘ রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হলে সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না’-প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, বুধবার; বাগেরহাটের মংলায় সুন্দরবনের পাদদেশে জয়মনিরঘোলে খাদ্য বিভাগের নির্মানাধীন দেশের বৃহত্তর (৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণ মতা সম্পন্ন) সাইলো (খাদ্য গুদাম) নির্মান প্রকল্প ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধন শেষে সেখানে সুধী সমাবেশে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি মতায় এলে শুধু ধ্বংস করে। অথচ আওয়ামীলীগ দেশকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দেয়। দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে আওয়ামীলীগকে আবারও ভোট দেওয়ার আহবান জানান। পুনরায় নির্বাচিত হতে পারলে মংলা বন্দরের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিসহ আধুনিকায়ন করা হবে বলে তিনি উলে­খ করেন।

গত মাসে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ভাবে এ্ প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে।

গত মাসে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ভাবে এ্ প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে।


খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে স্থানীয় ও খুলনা বিভাগীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী দেড়টার দিকে রামপাল এসে শ্রীফলতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় আঃলীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন। জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হলে সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না। সুন্দরবন এদেশেরই সম্পদ। তাই সন্দরবনকে রক্ষায় আওয়ামীলীগ সরকার সব কিছু করবে। জামায়াত বিএনপি সরকার এদেশের ক্ষতিই করছে। লুটপাট আর মানুষ হত্যা করারই জামায়াত বিএনপি সরকারের কাজ। আর আওয়ামীলীগ উন্নয়নের রাজনীতি করে। তাই আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের ফলে মংলা বন্দর আর গতিশীল হবে। এখানের বেকারত্ব মোচন হবে। বেকার যুবকরা কাজ পাবে। তাই তিনি আওয়ামীলীগের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রথমে রামপালের সুন্দরবন ডিগ্রী মহিলা কলেজের ২০০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ হাসিনা ছাত্রী নিবাস, ডাকরায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধ, খুলনা ১৫০ মে:ও: বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্ভোধন করবেন। এছাড়া রামপাল ডিগ্রী কলেজের ‘বঙ্গবন্ধু একাডেমিক ভবন’, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপে­· ভবনসহ ৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

বিরোধীদলের হরতালের শেষ দিনে বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলে জেলা জুড়ে গ্রহণ করা হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সভাস্থল ও এর চারপাশে গড়ে তোলা হয়েছে পাঁচস্তরের নিরাপত্তা বলয়। সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন আইন-শৃক্সখলা বাহিনীর সদস্যরা। রামপালের জনসভাস্থলে তৈরী কারা হয়েছে নৌকার মঞ্চ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপজেলা আ’লীগ আযোজিত জনসভায় বক্তৃতা শেষে হেলিকপ্টার যোগে বাগেরহাটে পৌছেছেন। বিকেলে খানজাহান আলী কলেজ মাঠে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এখানেও তিনি বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

সবুজপাতা ডেস্ক

No comments

leave a comment