Homeসবুজ কৃষিদ্রুত ধান কাটতে মাইকিং !

দ্রুত ধান কাটতে মাইকিং !

বগুড়া, ২৪ এপ্রিল: ক্ষেতে পাকছে ব্যুরো ধান। বাংলা নতুন বছরের শুরু থেকেই দফায় দফায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে বগুড়া অঞ্চলে এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেক কৃষক । তাই বোরো চাষীদের দ্রুত ধান কাটার জন্য আগাম সতর্কতা জারি করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পাকা ধানের সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে কৃষকদের সাবধান করতেই এ পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বগুড়া, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় চলতি বোরো মওসুমে চার লাখ ৫৯ হাজার ৬০৭ হেক্টর জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ লাখ ১১ হাজার ৭৫১ টন। বৃষ্টির পানি ও সেচের মাধ্যমে জমিতে প্রয়োজন মত পানি, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করায় বোরোর ফলনও ভালো হয়েছে। পাকা ধানে ভরে উঠছে মাঠের পর মাঠ। কিন্তু কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে এ অঞ্চলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে মঙ্গল ও বুধবার রাতের ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসেব পাওয়া না গেলেও চার জেলার লক্ষাধিক হেক্টর জমির ধান কম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে কৃষকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় কৃষকদের মনোবল শক্ত রেখে দ্রুত পাকা ধান কেটে নিতে প্রচারণা শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়ে মাইকিং করে বোরো চাষীদের সতর্ক করা হচ্ছে।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বোরো চাষীরা জানান, অধিকাংশ জমির ৮০/৯০ শতাংশ ধান পেকেছে। কৃষি অফিসের পরামর্শে কৃষকরা ধান কাটার উদ্যোগ নিয়েছে। ঝড় বা শিলাবৃষ্টি অথবা বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে কৃষকরা সর্বশান্ত হয়ে যাবে। সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে কৃষকদের রক্ষা করতেই কৃষি বিভাগ আগাম সতর্কতামূলক পরামর্শ দিচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. এস এম আবুল হোসেন  জানান, কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে বোরো ধানের বেশ ক্ষতি হয়েছে। চলতি মওসুমে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির প্রভাব থাকায় চাষীদের সম্ভাব্য ক্ষতির কথা চিন্তা করে কৃষকদের সতর্ক করা হচ্ছে। যাদের জমির ৮০ শতাংশ ধান পেকেছে তাদের ধান কেটে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

সবুজপাতা প্রতিবেদন

No comments

Sorry, the comment form is closed at this time.