Homeসবুজ জ্বালানীজ্বালানিখাতে হাইড্রোজেনের ব্যবহার:কৃষিকাজে সৌরশক্তির ব্যবহার

জ্বালানিখাতে হাইড্রোজেনের ব্যবহার:কৃষিকাজে সৌরশক্তির ব্যবহার

hydrogen-fuelবিশ্বে বর্তমানে জ্বালানির ব্যাপক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে কয়লা, গ্যাস প্রভৃতি প্রভাগত জ্রালানির পরিবর্তে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে প্রাধান্য পাচ্ছে হাইড্রোজেন। সহজাত পদার্থ হওয়ায় এটি ব্যবহারকালে নিরুপদ্রব জলীয় বাষ্প ছাড়া অন্য কিছুই নির্গত হয় না। ফলে একদিকে যেমন চাপ কমবে অন্যান্য জীব্শ্ম জ্বালানির উপর, তেমনি রক্ষা পাবে পরিবেশও।

সম্প্রতি ভার্জিনিয়ার একদল গবেষক আবারো নতুনভাবে পরীক্ষা চালিয়েছেন হাইড্রোজেনের উপর, বের করেছেন কিভাবে সহজ উপায়ে এই গ্যাস পাওয়া যাবে। তাদের মতে , ভবিষ্যতে হাইড্রোজেনই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জৈবজ্বালানি। পরিবেশ থেকেই এই হাইড্রোজেন উৎপাদন সম্ভব এবং তাতে খরচের পরিমানটাও অনেক কম। পূর্বের তৈরী করা পদ্ধতিতে হাইড্রোজেন পাওয়া ডেতো ঠিকই, কিন্তু তাতে ব্যয়ের পরিমানটা ছিলো অনেক বেশী, শুধু তাই নয়-সৃষ্টি হতো গ্রীনহাউস হ্যাস, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

হাইড্রোজেন সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে সবার আগে পানির কথা হলে আসলেও সেখানে ব্যয়টা অনেক বেশী। পানির এক অনুর মধ্যে তিনভাগের দুইভাগই হাইড্রোজেন। পানির এই দুই উপাদানকে ত্বরিত বিশ্লষনের সাহায্যে সহজেই আলাদা করে ফেলা যায়। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় হাইড্রজেন সংগ্রহের কাজে প্রধান সমস্যা হলো-এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমিন বিদ্যুত শক্তির প্রয়োজন হয়, যা উৎপাদনে আবার অন্য শক্তার প্রয়োজন।

বিজ্ঞানীরা বের করেছেন, পরিবেশের আরেক উপাদান উদ্ভিদ থেকেও এই হাইড্রোজেন সংগ্রহ করা সম্ভব। দীর্ঘ ৭ বছর গবেষনার পর তারা বের করেছেন-কিভাবে, কম খরচে এটি উৎপাদন করা যায়, বেছে নিয়েছেন বিভিন্ন এনজাইম-যেখানে প্রাধান্য পাচ্ছে জাইলোজ। কারন এটি খুব সহজেই পওয়া যাবে উদ্ভিজ্জ কোষ থেকে। সাথে নিয়েছেন পলিফসফেটকে। নাম্ব তাপমাত্রায় বিক্রিয়ার মাধ্যমে যেখানে রাসায়নিক শক্তার চেয়ে বেশী পাওয়া ডাবে হাইড্রোজেন।

বর্তমানে যেভাবে হাইযোজেন উৎপাদন হচ্ছে, সেখানে ব্যয় অনেক বেশী, সেইসাথে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্যাসও উৎপাদিত হচ্ছে। কেননা, কারখানাগুলোতে হাইড্রোজেন গ্যাস তৈরীতে ব্যবহৃত হচ্ছে অ্যামোনিয়া।

জৈববীবাশ্ম ব্যবহার করে নতুন এই পদ্ধতিতে পাওয়া যাবে অধিক পরিমান হাইড্রোজেন। খরচ কম হওয়ায় এবং উপাদান সহজলভ্য হওয়ায় খুব দ্রুতই জনপ্রিয়তা পাবে পদ্ধতি-এমনটাই আশা করছেন গবেষকদল। সেইসাথে আমূল পরিবর্তন ঘটবে শক্তির বাজারে।

কৃষিকাজে সৌরশক্তির ব্যবহার:

পর্যাপ্ত পরিমান বৃষ্টিপাতের অভাব আফ্রিকাবাসীর খাদ্যসংকটের আরেকটি কারণ। কেননা, পর্যাপ্ত পানির অভাবে জমিতে ব্যাহত হচ্ছে সেচকাজ, যার প্রভাব পড়ছে খাদ্যের উপর।

কার্লোস নিকোলাস এবং সামির ইব্রাহিম-দুজন উদ্যোক্তা-ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে এসেছেন – সৌরশক্তিকে ব্যবহার করে কিভাবে কৃষিকাজে আরো উন্নতি করা যায়। শুধু বৃষ্টির পানির উপর ভরসা করে নয়, সৌরশক্তির মাধ্যমে সেচপাম্প কিভাবে চালানো যায়-এ নিয়েও কাজ করেছেন তারা।

এ বিষয়ে তারা কথা বলেছেন সেখানকান গনমাধ্যমে-জানিয়েছেন তাদের পরিকল্পনা, তাদের কার্যক্রমের কথা।

সৌরশক্তি ব্যবহার করার জন্য যেসব যন্ত্র ব্যবহার করা হবে –একজন কৃষকের জন্য সেটা অনেক লাভজনক হবে। কেননা, সেচকার্যে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশগুলো দামের দিক থেকে অনেক সস্তা। শুধু তাই নয়, যন্ত্রগুলো কিনতে যে পরিমান অর্থ খরচ হবে, এক মৌসুমের আয় দিয়ে একজন কৃষক সেটি তুলে নিতে পারবে। এগুলো ব্যবহৃত হবে ডিজেল এবং পেট্রোলপাম্পের পরিবর্তে। ডিজেল পাওয়ার সিস্টেমের চেয়েও কম খরচ হবে এখানে। অনেক ক্রষকই সহজেই চাষ করতে পারবেন টমেটো, পেয়াজ, ক্যাপসিকামের মতো সব্জি, যেগুলোর চাহিদা বাজারে অনেক বেশী।

একজন কৃষক তার জমি চাষের ক্ষেত্রে সবসময় সহজলভ্য জিনিস খুজে বেড়ান। সুতরাং, তিনি যখন দেখবেন যে, ডিজেলচালিত সেচপাম্পের চেয়ে সৌরশক্তি চালিত সেচপাম্পে খরচ কম, তখন সেটিই ব্যবহার করবেন তিনি। এই সৌরশক্তি চালিত সেচপাম্প দিয়ে উঠানো পানি মজুদ করে রাখা হবে। প্রয়োজনে যন্ত্রাংশগুলোর জন্যে কৃষকদেরকে ব্যাংক থেকেও আর্থিক সহযোগিতা করা হবে। এভাবেই ধীরে ধীরে এটির গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে সবশ্রেণীর কৃষকের কাছে।

আরো একটি আশার কথা এই যে, এর মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা যাবে তরুণ কৃষকদেরকেও। তারাও আগ্রহী হবে কৃষিব্যবসায়। সফলভাবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা গেলে কৃষিক্ষেত্রে আরো সাফল্য পাওয়া যাবে-এমনটাই মনে করছেন দুই উদ্যোক্তাকারী।

সম্পাদনা: সাফিয়াজ রাসনা
[email protected]k.com

 

Late comments
  • Thank you for your blog article.Thanks Again.

  • “Thanks for sharing, this is a fantastic blog article.Thanks Again. Fantastic.”

  • Thanks for sharing, this is a fantastic article post. Will read on…

  • “wow, awesome blog post. Awesome.”

  • Fantastic blog.Really looking forward to read more. Will read on…

  • “I must spend a while finding out more or working out more.”

  • I cannot thank you enough for the article post.Really thank you!

  • Very informative article.Thanks Again. Much obliged.

  • Very good article. Great.

  • I really enjoy the article post.Really thank you! Will read on…

  • I really liked your article.Thanks Again. Really Great.

  • Major thankies for the blog post.Thanks Again. Cool.

  • A round of applause for your blog article.Much thanks again. Much obliged.

  • Very informative post.Much thanks again. Great.

leave a comment